
(মোঃ সোলায়মান চট্টগ্রাম)
নগর জীবনের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এই দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব, সততা ও জনসেবামূলক মানসিকতার মাধ্যমে প্রশংসা কুড়িয়েছেন চট্টগ্রাম নগরীর ট্রাফিক উত্তরের উপ-পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ নেছার উদ্দিন আহমেদ।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি নগরীর যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বিশেষ করে ব্যস্ততম সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিক কৌশল প্রয়োগ, অবৈধ পার্কিং নিয়ন্ত্রণ এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে নগরবাসীর আস্থা অর্জন করেছেন।
শুধু আইন প্রয়োগেই নয়, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির জন্যও তিনি প্রশংসিত। সাধারণ মানুষ, চালক ও পথচারীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ এবং সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানে তাঁর আন্তরিকতা তাঁকে একজন জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত করেছে। বিভিন্ন সামাজিক ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচিতে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তিনি নিয়মিত মাঠপর্যায়ে তদারকি করেছেন এবং অধীনস্থ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা ও সেবার মান উন্নয়নে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে ট্রাফিক বিভাগের সদস্যরা আরও উৎসাহ ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
নগরবাসীর মতে, জনাব মোঃ নেছার উদ্দিন আহমেদ এর কর্মনিষ্ঠা, সততা ও দূরদর্শী নেতৃত্ব চট্টগ্রাম নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ভবিষ্যতেও তাঁর অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা নগরীর সড়ক ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিকরা।
জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালনকারী এই কর্মকর্তার বিভিন্ন উদ্যোগ ও কর্মদক্ষতা চট্টগ্রাম নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
Leave a Reply