
শরীফুল ইসলাম (কক্সবাজার)
কক্সবাজার ঈদগাঁও-কুরুস্কুল-ডিসি সড়কে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের বড় ডালপালা কাটাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে যেকোনো সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সড়কের মাইজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ‘সেইভ দ্য চিলড্রেন’-এর একটি বিলবোর্ড রয়েছে। ওই বিলবোর্ডের সামনে থাকা একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের বড় ডালপালা এবং সড়কের পাশের আরও একটি গাছ গত বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে কেটে ফেলা হয়।
পরবর্তীতে কেটে ফেলা ডালপালাগুলো কয়েকজন ব্যক্তি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়দের নজরে আসে। এলাকাবাসী তাদের আটকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। এ সময় আটকে পড়া ব্যক্তিরা দাবি করেন, এনজিও সংস্থার লোকজনই গাছ কেটে চলে গেছেন এবং তাদের টাকা দিয়ে ডালপালাগুলো সরিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য
আতিকুর রশিদ তারেক (ভূমির মালিক ও জুমবাড়ি মসজিদের মোতাওয়াল্লি) আমার জায়গায় বিলবোর্ড বসিয়ে, আমার নিজের দীর্ঘদিনের যত্নে বড় করা কৃষ্ণচূড়া গাছটি কেটে ফেলা হয়েছে। এ ধরনের অন্যায় আমি মেনে নেব না। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আমি দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। ওবাইদুল হক (কমিউনিটি মোবিলাইজার, সেইভ দ্য চিলড্রেন, জালালাবাদ ইউনিয়ন) আমাদের সংস্থা থেকে গাছ কাটার কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। কে বা কারা এই কাজ করেছে, তা আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজ নেব এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করব। বর্তমান পরিস্থিতি
গাছ কাটার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি—উদ্ভূত বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় থানায় আইনগত কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রত্যক্ষদূর্শী মধ্যম মাইজপাড়ার মোঃ জাবের আহমেদের ছেলে মোঃ সেলিম, মোঃ হোসেনের ছেলে মোঃ মুবিন ও মোঃ হারুনের ছেলে মোঃ নুরুল আলম ক্ষুবপ্রকাশ করেন।
Leave a Reply