
বোয়ালখালী প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার ৫ নম্বর সারোয়াতলী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পরিচিত দিদারুল আলমের প্রকাশ্যে চলাফেরা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরও তিনি এলাকায় প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
গোপন সূত্রে জানা যায় কিছু দিন আগে বোয়ালখালী উপজেলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের যে মিছিল হয়েছে তার পুরো পরিকল্পনা ও সহযোগিতা করেছেন দিদারুল আলম,
এমন কি নিষিদ্ধ সংগঠন সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হাসান রুবেল ও সন্ত্রাসী দিদারুল আলম একই এলাকার বাসিন্দা প্রতি রাতে তাদের মধ্যে একটি গোপন বৈঠক হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। আরো যারা যায় তারা দুজন একে অপরের আত্মীয়-স্বজনও বটে
স্থানীয় সূত্রে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে আলোচনা থাকলেও, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্রধারী কর্মকাণ্ড কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকলে, সেসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন
স্থানীয়দের প্রশ্ন—কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে, সেগুলোর তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের ভূমিকা কী? অভিযোগ সত্য হলে তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না, আর অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে প্রকৃত সত্যই বা কী—তা পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা প্রভাব-প্রতিপত্তি বিবেচনায় না নিয়ে প্রতিটি অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হবে। অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং নির্দোষ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।
নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারী বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার যেসব অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, সেগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে, তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কিংবা আইনগত অভিযোগ রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করে প্রকৃত তথ্য জনসমক্ষে তুলে ধরার দাবি জানানো হচ্ছে।
জনগণের প্রত্যাশা একটাই—অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক পরিচয় যেন কারও অপরাধের ঢাল না হয়, আবার ভিত্তিহীন অভিযোগে কেউ যেন হয়রানির শিকারও না হন।
Leave a Reply