1. mdsoliman2995@gmail.com : dainik pratidinsomoy : dainik pratidinsomoy
অনলাইন জুয়ায় আসক্ত বিভিন্ন ঞ্চলের যুবসমাজ ও কোমলমতি শিশুরা। লেখালেখি করাতে বোয়ালখালিতে সাংবাদিককে মেরে ফেলার পরিকল্পনা আদালতে সাধারণ ডায়েরি। - dainik pratidinsomoy
September 13, 2026, 5:21 pm
শিরোনামঃ
গাউছিয়া আমিরভাণ্ডার আশেকান পরিষদের উদ্যোগে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত। চট্টগ্রাম-১৩ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম সমাজকল্যাণ মন্ত্রালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছেন : পরৈকোড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাবেক ছাত্রনেতা হান্নান রহিম তালুকদার স্বাধীন বাংলা ফুটবল একাডেমি চট্টগ্রাম ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন :চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সদস্য ও চট্টগ্রাম মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব সমর্থক গোষ্ঠী সহ-সভাপতি শাবাব ইয়াজদানী পরৈকোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হান্নান রহিম তালুকদার : উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অঙ্গীকার বোয়ালখালীতে সড়কের নিরাপত্তা খুঁটি উপড়ে বালুর ব্যবসা, কারাদণ্ডে থামল নৈরাজ্য বোয়ালখালীতে শিক্ষিকার বাড়ির কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙে চুরি। আহলা বেংগুরা সি,এন,জি,চালক সমিতির উদ্যেগে জুশনে জুলুস ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) এর র‌্যালি শেষে মোনাজাত করেন শায়ের মৌলানা মোঃ রুহুল আমিন রহিমী আলকাদেরী। সারোয়াতলীতে কে এই ইয়াবা সম্রাট ইকবাল, তার খুটির জোর কোথায়, জানা যায় দীর্ঘদিন যাবত ইয়াবা কারবারের সাথে জড়িত সারোয়তলীর আব্দুল হক বৈদুর ছেলে ইকবাল, কিন্তু ধরাছোঁয়ার বাইরে: শুভ জন্মদিন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য,মাওয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্যবসায়ী Hazi Mohammad Alam Bobby আসন্ন ৯নং পরৈকোড়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাবেক ছাত্রনেতা হান্নান রহিম তালুকদার
বিজ্ঞাপনঃ
Welcome To Our Website...

অনলাইন জুয়ায় আসক্ত বিভিন্ন ঞ্চলের যুবসমাজ ও কোমলমতি শিশুরা। লেখালেখি করাতে বোয়ালখালিতে সাংবাদিককে মেরে ফেলার পরিকল্পনা আদালতে সাধারণ ডায়েরি।

  • Update Time : Thursday, May 21, 2026
  • 271 Time View

নিজস্ব সাংবাদাতা:

তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতির ফলে পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয়। আঙুলের এক ক্লিকেই সব কিছু জানা সম্ভব, কিন্তু এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্মার্টফোন, ট্যাব বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে তরুণ-যুবকরা থাই ও কালিয়ানসহ ক্যাসিনো নামে ভার্চুয়াল জুয়ায় জড়িয়ে নিজেদের ধ্বংসের পথে পরিচালিত হচ্ছে। এ ব্যাপারে বর্তমান সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দিন আহমেদ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিলেও কিন্তুু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো মাথা ব্যাথা নাই বোয়ালখালীতে।

বাংলাদেশের বিভিন্নঞ্চলে অনলাইন জুয়া ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রামে গঞ্জে নগরে বাজারে হাটে ঘাটে চায়ের দোকানে তরুণ-যুবকদের মধ্যে থাই জুয়া, কালিয়ান ও বিভিন্ন লটারিভিত্তিক গেমের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। একদিকে যেমন তারা এতে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে, তেমনি অপরদিকে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। যেমন সার্ভারের তথ্যমতে বোয়ালখালীর সারোয়াতলী ইউনিয়নের পশ্চিম খিতাপচর ৫ নং ওয়ার্ডে বেশি চলে এই অনলাইন জুয়ার সাইড।

জানা যায়, অনলাইন জুয়ার সঙ্গে একটি প্রতারণার চক্রও জড়িত, যা লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এসব চক্রে থাকা কিশোর-যুবকরা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে, যা সমাজে এক নতুন ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করছে ফলে সাংবাদিক লেখালেখি করায় একপর্যায়ে সাংবাদিকদের জানে মেরে ফেলার পরিকল্পনাও করা হচ্ছে ইতিমধ্যে বোয়ালখালীর এক সাংবাদিক বেশ কয়েক জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে সাধারণ ডায়েরি করেছে।

অন্যান্য গ্রামাঞ্চলের স্থানীয় যুবকদেরও একই ধরনের অভিযোগ। তারা জানান, স্থানীয়ভাবে থাই জুয়া বা কালিয়ান লটারির আদলে টিকেট বানিয়ে থাইল্যান্ডের লটারির নামে চালিয়ে দেওয়া হয়। এই ধরনের কার্যক্রমের ফলে গ্রামে কিশোর-যুবকদের মধ্যে জুয়া খেলার প্রবণতা বাড়ছে। অভিভাবকরা জানান, “পাড়ার ছেলেরা সারা দিন মোবাইল নিয়ে জটলা করে বসে থাকে, এবং পরে জানা যায়, তারা থাই জুয়া খেলছে। মহল্লার লোকেরা কিছু বলতে ভয় পায়, কারণ ওই তরুণরা সংগঠিত। যারা কিছু বললেই তারা তাকে হেনস্তা করতে পরিকল্পনা করে।

গেমিং, স্পোর্টস ও গ্যাম্বলিং বিষয়ক ওয়েবসাইট পেটুডের মতে, অনলাইন ক্যাসিনোতে কোনো খেলোয়াড়কে নিয়ে আসতে পারলে অ্যাফিলিয়েট বা প্রচারকরা প্রতি খেলোয়াড়ের জন্য ৫০ থেকে ৪০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত কমিশন পেয়ে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে যে খেলোয়াড়দের নিয়ে আসা হয়, সেসব খেলোয়াড়দের ব্যয় করা অর্থের ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন পেয়ে থাকেন এই অ্যাফিলিয়েটরা।

অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রয়োজন বলে মনে করেন পুলিশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের ভাষ্য, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়, এবং গ্রামাঞ্চলে অনলাইন জুয়ার বিস্তার ঘটেছে। আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি, তবে শুধু পুলিশি অভিযান দিয়ে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এর জন্য এলাকাভিত্তিক সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রয়োজন।

অনলাইন জুয়ায় আসক্তি বর্তমানে বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় সমাজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ও প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন। অপরাধ বিশেষজ্ঞগণ বলেছেন, জুয়া আসক্তদের ফেরাতে প্রতিরোধ গুরুত্বপূর্ণ। জুয়ার সাইটগুলো বন্ধ করে দেওয়ার জন্য কঠোর অবস্থান নিতে হবে সরকারকে। পরিবারে থাকা কম্পিউটার-মোবাইল ফিল্টারিং করতে হবে। বাবা-মায়ের খেয়াল রাখতে হবে, সন্তান কী করছে। আর আসক্তদের শারীরিক, মানসিক নির্যাতন না করে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে ফিরিয়ে আনতে হবে স্বাভাবিক জীবনে। অনলাইন জুয়ায় আসক্ত শিশুদের মনশ্চিকিৎসা নেওয়ার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তাদের এই মানসিক অবস্থা থেকে ফিরিয়ে আনতে বাবা-ছুটছেন মনশ্চিকিৎসকদের কাছে, অনেকেই সুফলও পাচ্ছেন। সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজন সামাজিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dainikpratidinsomoy
Design & Development By: BD IT HOST