
এম.হান্নান রহিম তালুকদার
নগরীর চকবাজার থানারধীন মেহেদীবাগ আলোহা কোচিং সেন্টারে এক নারী কে দীর্ঘ দিন যাবত যৌন হয়রানি করে আসছেন ঐ কোচিং সেন্টারের সিকিউরিটি গার্ড মোঃ ইসলাম। এই বিষয়ে উক্ত কোচিং সেন্টার শাখার প্রধান কে অভিযোগ করার পরে ও কোন ধরনের ব্যবস্থা না নেওয়ায় পর ০৭-০৮-২০২৬ ,১৬:৩০ ঘটিকার সময় কম্পিউটারে টাইপ কৃত এজাহার চকবাজার থানায় প্রাপ্ত হইয়া চকবাজার থানার মামলা নাম্বার ২ তারিখ ০৭-০৮-২০২৬ ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ২০০০এর ১০ রুজু হইল। উক্ত এজাহারে জৈনক নারী উল্লেখ করেন বিবাদী ইসলাম (৫০) পিতা মৃত্যু মোঃ সোলায়মান,মাতা মৃত কাইমুন নেসা সাং – ওয়্যারলেস কলোনি সেগুনবাগিচা ১নং লাইন ৬৩/বি রেলওয়ে কোয়ার্টার থানা খুলশী জেলা চট্টগ্রামের বিরুদ্ধে এজাহারে উল্লেখ করেন আলোহা কোচিং সেন্টারের সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে কর্মরত আছেন আমি গত ১১-৬-২০২৬ তারিখ আয়া হিসেবে মেহেদী বাগের আলোহা কোচিং সেন্টারে যোগদান করি উক্ত কোচিং সেন্টারে যোগদানের কিছু দিন পর থেকে উক্ত আসামি ইসলাম কারণে, অকারণে আমার সাথে কথা বলতে চাইত এবং আমার কাছাকাছি আসার চেষ্টা করত তার ঐ ধারাবাহিকতায় ০৬-০৮-২২৬ বেলা অনুমানিক ১১ঘটিকার সময় আসামি ইসলাম (৫০) অফিসের স্টাফদের জন্য নাস্তা নিয়ে অফিসের কিচেন রুমে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে আমি অফিসের স্টাফদের নাস্তা পরিবেশন করার পর পুনরায় কিচেন রুমে আসি। উক্ত আসামি ইসলাম তার নাস্তা খাওয়া শেষ করে কিচেন রুমে প্রবেশ করে আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার যৌন কামনা চরিতার্থ করার করার জন্য আমাকে জড়িয়ে ধরে এবং আমার বিভিন্ন স্থানে হাত দিয়ে যৌন উত্তেজনা বাড়াতে চেষ্টা করে। বিষয়টি লজ্জার হওয়ায় আমি অফিসের কাউকে কিছু না বলে বাসায় চলে যায় পরবর্তীতে উক্ত ঘটনার বিষয়টি আমি আমার স্বামীকে অবহিত করি ঘটনার বিষয়ে আমার মা বাবা সহ আমার নিকটতম আত্মিয়স্বজনদের আলাপ আলোচনা করে থানায় এসে এজাহার দায়ের করতে বিলম্ব হইল । উক্ত এজাহার ওসি চকবাজারের হস্তগত হওয়ার সাথে সাথে বিলম্ব না করে তড়িৎ গতিতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করিলেন এবং মোবাইল পুলিশ মেহেদী বাঘ এলাকার আলোহা কোচিং সেন্টার থেকে ইসলাম কে আটক করে এবং এই স্থানিয় জনসাধারণ এই কোচিং সেন্টার টি বন্ধ করার জন্য জোরালো ভাবে চট্টগ্রামের নগর পিতা ডাঃ শাহাদাত হোসেনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শুধু তাই নয় এই কোচিং সেন্টার টি নাকি আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত হয় তাই অনৈতিক কাজ হলেও কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাইনা। এই বিষয়ে কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিনের বক্তব্য নিতে গেলে উনাকে পাওয়া যায়নি। কিন্তু পুলিশ ও সাংবাদিক ঘটনা স্থলে উপস্থিত হলে গিয়াস উদ্দিনের কিছু সন্ত্রাসীদের বান্দার সমুক্ষিন হয়।
Leave a Reply