
অরূপ চন্দ্র : স্পেশাল ক্রাইম রিপোর্টার।
একটি জাতির উন্নতি নির্ভর করে শিক্ষার উপর। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক শিক্ষাকে সবার দারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে কাজ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলার অন্তগত জঙ্গল সলিমপুরে ছিন্নমূল এলাকায় দীর্ঘ ২০ বছরের ও বেশি সময় ধরে প্রাথমিক শিক্ষা পাঠ দান দিয়ে আসছে এস এম পাইলট প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি।জানা যায় ২০০৫ সালে তৎকালীন মরহুম আলী আক্কাস এর হাত ধরেই প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে বিদ্যালয় টি।পরবর্তী পর্যায়ে ক্রমে ছিন্নমূল সমন্বয় সংগ্রাম পরিষদের নগর কমিটির নেতৃবৃন্দ ও উপজেলা স্থানীয় রাজনৈতিক সমাজের ভিবিন্ন দায়িত্ব শীলদের সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়া হয়েছে এই বিদ্যালয়টি।
জানা যায় বর্তমানে স্কুলটি তার নিজস্ব ভূমিতে শিক্ষা পাঠদান করছে।সকল শ্রেণি অনুযায়ী রয়েছে ছয়শত-বেশী শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়ে শ্রেনী কার্যক্রম আরো গতিশীল করার লক্ষ্য তৈরী করা হচ্ছে বহুতল ভবন, যার কর্যক্রমে প্রায় শেষের দিকে।
প্রান্তিক ও দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় হওয়া এই অঞ্চলে শিশুদের পাঠদানে অংশগ্রহণ বা স্কুল গামী করার পথটা এতো সহজ ছিলো না বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের।
বিশেষ করে জঙ্গল সলিমপুরে অসহায় দরিদ্র ভূমিহীন পরিবারের বসবাস কারী মানুষের সংখ্যা বেশি থাকায় এখান কার শিশুদের স্কুলে ভর্তি করানো টা ছিলো কঠিন। দারিদ্র্যতার কারনে অনেক পরিবার তাদের সন্তানের স্কুল দিতে রাজি হতো না।সময়ের পরিবর্তনে ধীরে ধীরে শিক্ষক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রচেষ্টা বাড়তে থাকে ছাএছাএীদের সংখ্যা।
স্কুলের বিষয়ে জানতে চাইলে স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষিকা সূবর্ণা মজুমদার বলেন, এই স্কুল টি প্রতিষ্ঠা করেন মরহুম আলী আক্কাস ২০০৫ সনে। প্রধান শিক্ষক সূবর্ণা মজুমদার আরো বলেন ২০০৫ সালে প্রধান শিক্ষক ছিলেন ডাঃ ইউনুছ, ২০০৬-২০০৭ সালে ছিলেন মো: আফজাল, ২০০৮ খোরশেদ আলম,২০০৯-২০১১ মরিয়ম জাহান,২০১২-২০১৩ আশীষ মজুমদার ২০১৪-২০১৮ সুর্বণা মজুমদার, ২০১৯-২০২৪ তপন সর্ববিদ্যা,২০২৪ ইং হইতে বর্তমানে ও রয়েছেন প্রধান শিক্ষক হিসেবে সূবর্ণা মজুমদার।
তিনি আরো বলেন, দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় হওয়া নানা সমস্যা থাকা স্বত্বেও নাম মাএ সন্মানি ভাতা নিয়ে স্কুলের পাঠ দান নিয়মিত চালিয়ে যাচ্ছেন বর্তমান শিক্ষক গন। বর্তমানে স্কুল কর্মরত শিক্ষক রয়েছেন- প্রধান শিক্ষক সূবর্ণা মজুমদার,সহকারী শিক্ষক নাহিদা মজুমদার,ফাহিমা বেগম,মোর্শেদা বেগম,অমিত কুমার পাল,রাবেয়া বিবি, কাউছারা আক্তার।
বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের জন্য ২০১৪ ইং সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আবেদন করা হয়।
ঐ আবেদন পত্রের আলোকে জেলা যাচাই-বাছাই কমিটির প্রতিবেদন সহ জাতীয়করণের সকল তথ্য প্রেরণ করা হয় মন্ত্রণালয়ে।
কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় যেখানে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে সময়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অতি নগণ্য হলেও এস এম পাইলট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা অপ্রতুল। তাই শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনা-পূর্বক অত্র এলাকার একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এস.এম. পাইলট প্রাথমিক বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করলে বিশ হাজার পরিবারের এই এলাকায় হতদরিদ্র পরিবারের শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত হবে।
তাই সাধারণ জনগণের প্রাণের দাবি সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর ছিন্নমূল এলাকায় এস.এম.পাইলট প্রাথমিক বিদ্যালয়টি জাতীয়করন করা হোক অতি দূত।
Leave a Reply