
চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি।
চট্টগ্রাম নগরীর মোহরা কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় চলছে অবৈধ টিকটিকি টেম্পো ও গ্রাম সিএনজি এবং আরো বিভিন্ন যানবাহন, নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক এই অবৈধ ফিটনেসবিহীন যানবাহন গ্রাম সিএনজি R.P শর্ত ভঙ্গ করে সিটিতে কিভাবে প্রবেশ করে জানতে চাইলে তারা বলেন পুলিশ সার্জেন্ট সাংবাদিক ও বিভিন্ন দালালদের মাধ্যমে যানবাহনগুলো R.P শর্ত ভঙ্গ বা অবৈধ হলেও রাস্তার মাথা এলাকায় দিবালোকে চলাচল সম্ভব হয়।
পুলিশ আটক করে কিনা জানতে চাইলে তারা বলেন পুলিশ কেন আটক করবে আমরা যাদেরকে প্রতিমাসে মাসোয়ারা হিসেবে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা দিয়ে থাকি
ওই টাকার ভাগ কি পুলিশ পাই না নিশ্চয় পাই, না পাইলে তো অবশ্যই আমাদের গাড়ি আটক করে দিত।
প্রতিদিন এত গাড়ি আটক হচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন হ্যাঁ আটক হচ্ছে যে গাড়িগুলো প্রতি মাসে মাসোহারা দেয় না, ওই গাড়িগুলোই আটক হয়।আর যারা প্রতি মাসে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা মাসোয়ারা দে, তাদের গাড়ি কিন্তু সহজে আটক হয় না। যদিও বা চাপের মুখে আটক করতে হয় সেটা ট্রাফিক অফিসে গিয়ে সবকিছু তারা ঠিকঠাক করে দে দালালদের মাধ্যমে।
তবে ইতিমধ্যে মোহরা কাপ্তাই রাস্তার পুলিশ বক্সের টিআই এর পিএস নামে পরিচিত মোঃ জয়নাল তাকে প্রতিমাসে ৪ হাজার টাকা মাসোয়ারা দিয়ে কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ টিরও বেশি টিকটিকি টেম্পো চলে বলে জানা যায়।
পুলিশ সোর্স অফ ইনফরমেশন সাংবাদিক, সাংবাদিক সোর্স অফ ইনফরমেশন পুলিশ একে অপরের সহযোগী হিসেবে এই অবৈধ গাড়ির নম্বরসহ মোহরা কাপ্তাই রাস্তার মাথা’র ট্রাফিক বক্সের দায়িত্বরত টিআই কে অবগত করিলেও কোষলে নেওয়া হচ্ছে না কোনো ব্যবস্তা।
অন্যদিকে সচেতন মহল বলেন পুলিশকে যদি টাকা না দে এই ধরনের অবৈধ ফিটনেসবিহীন যানবাহন কখনো মূল সড়কের উপর পার্কিং করে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। এই কথার জবাবে সাংবাদিকরা যখন বলে পুলিশ তো এখন টাকা খায়না একথা বলতেই জ্ঞানী গুণী ব্যক্তিবর্গরা সাংবাদিকদের কাছে উল্টো প্রশ্ন ছুড়ে দেন, তারা বলেন আপনি বোকার স্বর্গে বসবাস করে যাচ্ছেন আগের তুলনায় আরো বেশি ঘোষ খাচ্ছে তারা।
তারা আরো বলেন আপনি বলুন মাসোয়ারা ছাড়া এই সমস্ত অবৈধ গাড়ি কখনো সড়কের উপর পার্কিং করে দাঁড়িয়ে থাকতে পারতো না,নিশ্চয়ই দালালদের মাধ্যমে মোহরা পুলিশ বক্সের দায়িত্বরত টিআই এর কাছে মাসে মাসে টাকা চলে যায়, না হয় সারাদিন এই অবৈধ টিকটিকি টেম্পো গুলো সড়ক দখল করে রাখার পরেও তিনি নিরব কেন। শুধু তাই নয় রাস্তার মাথা এলাকার গ্যাস পাম্পে রাখা হয় শত শত গ্রাম সিএনজি, নেওয়া হয় প্রতি সিএনজি থেকে দৈনিক ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং প্রতি মাসে নেওায়া হয় ৩০০ টাকা।
এ ব্যাপারে ট্রাফিক পুলিশ বক্সের টিআই একদিন ওই এলাকার লাইনম্যান সাদেক নামক একজনকে মারধরও করেছিলেন তবে তার পরের দিন দেখা যায় কোষলে আবারো সব কিছু ঠিকঠাক। অন্যদিকে গোপন সূত্রে জানা যায় ডিউটির গাড়ি হিসেবে নাম দিয়ে শত শত গ্রাম সিএনজিও রাস্তার মাথায় প্রবেশ করে।
এ ব্যাপারে সাধারণ পথচারীরা বলেন এই সমস্ত অবৈধ ফিটনেসবিহীন যানবাহন গুলো সড়কে পার্কিং করে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে লেগেই থাকে দীর্ঘ যানজট থামছেনা সড়ক দুর্ঘটনা ভোগান্তিতে সাধারণ পথচারী তবে কোনো ধরনের তৎপরতা নেই মোহরা পুলিশ বক্সের দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের। তাই এই সমস্ত অবৈধ ফিটনেস বিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সাধারণ মানুষের।
Leave a Reply