1. mdsoliman2995@gmail.com : dainik pratidinsomoy : dainik pratidinsomoy
আবাসিক হোটেলের আড়ালে অসামাজিকতার আখড়া: নগরজুড়ে অভিযানে গ্রেপ্তার—নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা নাকি নীরব মদদ?” - dainik pratidinsomoy
October 28, 2026, 11:20 pm
শিরোনামঃ
কলমের মূল্য কি হামলা-মামলা? দক্ষিণ চট্টগ্রামে ব্যাঙের ছাতার মতো প্রেসক্লাব, বিপাকে পেশাদার সাংবাদিক! রাউজানে প্রবাসীর পরিবার কে প্রাণনাশের হুমকিও চাঁদা দাবির অভিযোগ, বেলাল/সাইফুল ও কংকর রফিকের বিরুদ্ধে! সাংবাদিক হান্নান রহিম তালুকদার’কে সংবর্ধনা দিলেন চট্টগ্রাম সাংস্কৃতিক একাডেমি মা বাবার দোয়া নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে সমর্থন চেয়ে প্রচারণা শুরু করলেন : সাংবাদিক হান্নান রহিম তালুকদার -আফসানা আক্তার শেকা (আনোয়ারা) কে এই আওয়ামী সন্ত্রাসী দিদারুল আলম? সারোয়াতলী’র বেঙ্গুরা বাজারে প্রকাশ্যে চলাফেরা নিয়ে প্রশ্ন, প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ। বাংলাদেশ প্রেসক্লাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক উন্নয়ন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ: ডাঃ শাহাদাত হোসেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শাশুড়ি হত্যা মামলার পলাতক আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর পুরস্কার ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। বোয়ালখালীতে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, নজরদারি ও তদন্তের দাবি সচেতন মহলের।
বিজ্ঞাপনঃ
Welcome To Our Website...

আবাসিক হোটেলের আড়ালে অসামাজিকতার আখড়া: নগরজুড়ে অভিযানে গ্রেপ্তার—নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা নাকি নীরব মদদ?”

  • Update Time : Tuesday, April 28, 2026
  • 263 Time View

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

চট্টগ্রাম নগরীতে একের পর এক আবাসিক হোটেলকে ঘিরে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক অভিযানের ঘটনাগুলো নগরবাসীর মনে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে—এসব কি বিচ্ছিন্ন ঘটনা, নাকি একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের অংশ?
গত ২৮ এপ্রিল, সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন রাজাখালী আরকান সড়কের পাশে অবস্থিত ‘ইউনিপার্ক’ নামে একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এ ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। প্রশ্ন উঠেছে—কীভাবে নগরীর ব্যস্ত এলাকায় দিনের পর দিন এমন কার্যকলাপ চলতে পারে? প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালিত হওয়া কি আদৌ সম্ভব?
অনুসন্ধানে দেখা যায়, নগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেল দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মের আড়ালে পরিচালিত হচ্ছে। যথাযথ কাগজপত্র, অতিথি নিবন্ধন, নিরাপত্তা যাচাই—এসব নিয়ম কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে তার প্রয়োগ প্রায় শূন্যের কোঠায়। ফলে এসব হোটেল সহজেই অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু অসাধু হোটেল মালিক ও প্রভাবশালী চক্রের যোগসাজশেই এসব কর্মকাণ্ড টিকে আছে। নিয়মিত নজরদারি না থাকায় এবং মাঝে মাঝে ‘দেখানো’ অভিযানের কারণে মূল সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র বলছে, অভিযানের মাধ্যমে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও, শক্তিশালী সিন্ডিকেট ভেঙে না দিলে এ ধরনের অপরাধ বন্ধ করা কঠিন।
এখন প্রশ্ন একটাই—নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কি কেবল অভিযানে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি গড়ে উঠবে স্থায়ী নজরদারি ও জবাবদিহিতার কঠোর ব্যবস্থা?
চট্টগ্রামের আবাসিক হোটেলগুলো কি সত্যিই পর্যটকদের আশ্রয়স্থল, নাকি অন্ধকার জগতের নিরাপদ ঘাঁটি—এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সচেতন নাগরিক সমাজ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dainikpratidinsomoy
Design & Development By: BD IT HOST