
বোয়ালখালী প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার ৫ নম্বর সারোয়াতলী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জমি বিক্রির বায়না চুক্তি করে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন একটি ভুক্তভোগী পরিবার। দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে নানা টালবাহানার পরও জমির রেজিস্ট্রি কিংবা বায়নার অর্থ ফেরত না পাওয়ায় তারা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আদালতে দাখিলকৃত অভিযোগ ও বায়নানামা দলিল সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৩ মে পূর্ব গোমদণ্ডী মৌজার একটি জমি বিক্রির জন্য বায়না চুক্তি সম্পাদিত হয়। বায়নানামা অনুযায়ী জমিটির পরিমাণ ১৬.৩৩ শতক (৮ গণ্ডা)। দলিলে জমির মৌজা: পূর্ব গোমদণ্ডী, উপজেলা: বোয়ালখালী, জেলা: চট্টগ্রাম উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া দলিলে সংশ্লিষ্ট খতিয়ান ও দাগ নম্বর উল্লেখ করে জমির পরিচয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
বায়নানামা অনুযায়ী জমির মোট মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৭ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৩ লাখ টাকা বায়না এবং পরবর্তীতে ধাপে ধাপে আরও অর্থ পরিশোধ করা হয় বলে বাদীপক্ষ দাবি করেছে। তবে নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হলেও জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন না হওয়ায় ভুক্তভোগীরা একাধিকবার যোগাযোগ করেও কোনো সমাধান পাননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, প্রায় এক দশক ধরে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করার পর তারা আদালতে মামলা দায়ের করেন। পরে আদালত বিষয়টি শুনানি শেষে তিন কিস্তিতে বায়নার অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেন। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, প্রথম কিস্তির অর্থ পরিশোধ না করে মো. নজরুল ইসলাম পুনরায় তদন্তের আবেদন করেন, যার ফলে ভুক্তভোগী পরিবার এখনও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে।
এ বিষয়ে আদালতে দাখিলকৃত মামলার নথিতে প্রতারণার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে এবং আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন
এ ব্যাপারে সাংবাদিকরা তথ্য নিশ্চিত করতে মো. নজরুল ইসলামের মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি বলেন কিসের ভুক্তভোগী কিসের নিউজ এগুলো করে লাভ কি আমি তো আদালতে স্বীকার করেছি টাকা দিয়ে দেবো
অন্যদিকে ভুক্তভোগী বলেন টাকা ও জমি দিচ্ছে দিচ্ছে করে আজকে দশ বছর পেরিয়ে গেল এখনো দেওয়াটা শেষ হচ্ছে না। তাই আদালতের প্রতি সম্মান রেখে আমার ন্যায্য বিচার প্রার্থনা করি।
Leave a Reply