1. mdsoliman2995@gmail.com : dainik pratidinsomoy : dainik pratidinsomoy
ব্যাংক চাইল মৃত্যুর প্রমাণ, বোনের কঙ্কাল কাঁধে হাজির ভাই - dainik pratidinsomoy
October 28, 2026, 11:56 pm
শিরোনামঃ
কলমের মূল্য কি হামলা-মামলা? দক্ষিণ চট্টগ্রামে ব্যাঙের ছাতার মতো প্রেসক্লাব, বিপাকে পেশাদার সাংবাদিক! রাউজানে প্রবাসীর পরিবার কে প্রাণনাশের হুমকিও চাঁদা দাবির অভিযোগ, বেলাল/সাইফুল ও কংকর রফিকের বিরুদ্ধে! সাংবাদিক হান্নান রহিম তালুকদার’কে সংবর্ধনা দিলেন চট্টগ্রাম সাংস্কৃতিক একাডেমি মা বাবার দোয়া নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে সমর্থন চেয়ে প্রচারণা শুরু করলেন : সাংবাদিক হান্নান রহিম তালুকদার -আফসানা আক্তার শেকা (আনোয়ারা) কে এই আওয়ামী সন্ত্রাসী দিদারুল আলম? সারোয়াতলী’র বেঙ্গুরা বাজারে প্রকাশ্যে চলাফেরা নিয়ে প্রশ্ন, প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ। বাংলাদেশ প্রেসক্লাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক উন্নয়ন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ: ডাঃ শাহাদাত হোসেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শাশুড়ি হত্যা মামলার পলাতক আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর পুরস্কার ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। বোয়ালখালীতে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, নজরদারি ও তদন্তের দাবি সচেতন মহলের।
বিজ্ঞাপনঃ
Welcome To Our Website...

ব্যাংক চাইল মৃত্যুর প্রমাণ, বোনের কঙ্কাল কাঁধে হাজির ভাই

  • Update Time : Wednesday, April 29, 2026
  • 308 Time View

নুসরাত জাহান ফারিয়া ভারত প্রতিনিধি

বোন মারা গেছেন। তাঁর ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা তুলতে চান একমাত্র উত্তরাধিকার ভাই। কিন্তু ব্যাংক চায় মৃত্যুর সনদ। তা না হলে টাকা দিতে নারাজ ব্যাংক। কিন্তু ভাইয়ের কাছে বোনের মৃত্যুর সনদ নেই। টাকাও তুলতে পারছেন না তিনি। অগত্যা বোনের কঙ্কাল কাঁধে নিয়ে তিন কিলোমিটার হেঁটে সোজা ব্যাংকে হাজির সেই ভাই!

অবাক করা ঘটনাটি ভারতের ওডিশার কেওনঝড় জেলার। ভাইয়ের নাম জিতু মুন্ডা। তিনি ওডিশার দিয়ানালি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বোন কাকরা মুন্ডার নামে ওডিশা গ্রামীণ ব্যাংকের মাল্লিপাসি শাখায় একটি সঞ্চয়ী হিসাব ছিল।

মাস দুয়েক আগে কাকরা মুন্ডা মারা গেছেন। তাঁর স্বামী ও একমাত্র সন্তান আগেই মারা যাওয়ায় জিতুই একমাত্র জীবিত নিকটাত্মীয়।

মৃত বোনের ব্যাংক হিসাব থেকে ১৯ হাজার ৩০০ রুপি তুলতে চাইছিলেন ভাই জিতু। সে জন্য ব্যাংকের ওই শাখায় যান তিনি। কিন্তু টাকা তুলতে পারেননি। ব্যাংকের ম্যানেজার সাফ জানিয়ে দেন, টাকা তুলতে হলে হয় হিসাবধারীকে উপস্থিত হতে হবে, নয়তো বৈধ উত্তরাধিকার সনদ দেখাতে হবে। থাকতে হবে বোনের মৃত্যু সনদ।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাহীন ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জিতুর কাছে বোনের মৃত্যু সনদ কিংবা উত্তরাধিকার–সংক্রান্ত নথি নেই। তাই টাকাও তুলতে পারেননি। ব্যাংকের জটিল নিয়মকানুন বুঝতে না পেরে তিনি অসহায়ভাবে ফিরে আসেন।

গত সোমবার জিতু গ্রামের শ্মশানে গিয়ে মাটি খুঁড়ে তাঁর বোনের দেহাবশেষ বের করেন। এরপর কঙ্কালটি কাপড়ে মুড়িয়ে কাঁধে নিয়ে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে তিন কিলোমিটার হেঁটে সরাসরি ব্যাংকে হাজির হন।

জিতুকে কঙ্কাল কাঁধে ব্যাংকে ঢুকতে দেখে উপস্থিত সবাই স্তম্ভিত হয়ে যান। কেউ সমবেদনা জানান, কেউবা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অনেকে প্রশ্ন তোলেন, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কেন এত অসংবেদনশীল আচরণ করল? গরিবের নিজের টাকা পাওয়াটাও কি এতটাই কঠিন?

স্থানীয় লোকজন ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, ব্যাংক চাইলে সরপঞ্চের (গ্রামপ্রধান) মাধ্যমে এর সত্যতা যাচাই করতে পারত। কিন্তু তারা নথিকে বড় করে দেখেছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জিতুকে শান্ত করে। পুলিশ জানায়, মানবিক দিক বিবেচনা করে দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করা হবে। এ বিষয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dainikpratidinsomoy
Design & Development By: BD IT HOST