মোঃ সোলায়মান চট্টগ্রাম ব্যুরো
বাংলাদেশ পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মোঃ আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী, পিপিএম—একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর পদমর্যাদার পাশাপাশি জনগণের নিরাপত্তা, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
একটি সুন্দর ও নিরাপদ সমাজ গঠনে পুলিশের ভূমিকা অপরিসীম। আর সেই দায়িত্ব পালনে প্রয়োজন সততা, সাহসিকতা, পেশাদারিত্ব, মানবিকতা এবং অপরাধের বিরুদ্ধে আপসহীন মনোভাব। একজন আদর্শ পুলিশ কর্মকর্তার প্রকৃত সার্থকতা শুধু অপরাধ দমনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সাধারণ মানুষের মনে আস্থা তৈরি করা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং ন্যায়বিচার প্রত্যাশী মানুষের কথা গুরুত্বের সঙ্গে শোনার মধ্যেও নিহিত।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে জনাব মোঃ আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী, পিপিএম মহোদয়ের মতো অভিজ্ঞ নেতৃত্বের কাছে মানুষের প্রত্যাশা—পুলিশি সেবা আরও জনবান্ধব হবে, অপরাধের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা জোরদার হবে এবং নিরপরাধ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন না।
বিশেষ করে সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিকদের কাছে এমন পুলিশি নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ, যাঁদের কাছে অন্যায়-অনিয়মের তথ্য তুলে ধরে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনানুগ প্রতিকার প্রত্যাশা করা যায়। সাংবাদিকতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং পেশাগত সহযোগিতা থাকলে সমাজের নানা অনিয়ম ও অপরাধ প্রতিরোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব।
আমাদের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে চট্টগ্রাম রেঞ্জের প্রতিটি থানায় সাধারণ মানুষ ন্যায়সংগত সেবা পাবেন, অপরাধী যে-ই হোক আইনের আওতায় আসবে এবং নিরীহ মানুষ সম্মান ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারবেন।
পরিশেষে বলতে চাই, একজন পুলিশ কর্মকর্তার প্রকৃত মর্যাদা শুধু তাঁর পদবি বা পদক দিয়ে নয়, মানুষের আস্থা, ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকার এবং জনকল্যাণে তাঁর ভূমিকার মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয়। জনাব মোঃ আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী, পিপিএম মহোদয়ের কর্মজীবন হোক সততা, পেশাদারিত্ব ও জনসেবার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত—এই প্রত্যাশা রইল।
তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করছি আমিন